২৭ জুলাই ২০১৮, ১২ শ্রাবণ ১৪২৫

ভুল থেকে শিখছি না আমরা: মাশরাফি

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 
    Published: 2018-07-26 11:09:17 BdST
bdnews24
ছবি: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট

কঠিন সময়ের সঙ্গে যুদ্ধ করেই তার এগিয়ে চলা। হতাশা তাই খুব বেশি গ্রাস করতে পারে না তাকে। তবে নাগালে পাওয়া জয় আরও একবার দূরে ঠেলে দেওয়ায় এবার সত্যিই হতাশ মাশরাফি বিন মুর্তজা। অধিনায়কের আক্ষেপ, বারবার একই ভুল করেও শিখছে না দল।

গায়ানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে জিততে একসময় বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩০ বলে ৪০ রান। হাতে ৭ উইকেট। সমীকরণ পরে নেমে আসে ১৩ বলে ১৪ রানে। উইকেট হাতে তখন ৬টি। এই ম্যাচও হেরে গেছে বাংলাদেশ ৩ রানে।
গত কয়েক বছরে এই ধরনের হারের যন্ত্রণায় বেশ কয়েকবারই পুড়তে হয়েছে দলকে। ২০১২ এশিয়া কাপের ফাইনাল, ২০১৬ এশিয়া কাপের ফাইনাল, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হার আর এ বছর নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ হেরেছে কাছে গিয়েও।
ম্যাচ শেষে মাশরাফির কণ্ঠে উঠে এল একই ভুল বারবার করার হতাশা।
“এই ধরনের ম্যাচ হারা তো অবশ্যই হতাশার। শেষ ১৩ বলে ১৪ রান লাগবে, ৬ উইকেট হাতে। ওখন থেকে ম্যাচ হারার কথা নয়। আর এমন না যে এটা প্রথমবার হলো। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার হলো। এটাই বেশি হতাশার। আমরা বারবার ভুল থেকে হয়ত শিখছি না। সহজেই শেষ করা উচিত ছিল এই ম্যাচ।”
ভুলের পুনরাবৃত্তির চক্কর থেকে বের হতে না পারার কারণ অনুসন্ধানে অধিনায়ককেও মনে হলো অসহায়।
“এখানে আসলে কি বলব… টেকনিক্যাল না মেন্টালি, ব্যাখ্যা করা কঠিন। এমন যদি হতো যে ১২ বলে ২০ রান লাগবে, অন্য কথা ছিল। কিন্তু ১৩ বলে যখন ১৪ লাগবে, তখন টেকনিক্যাল বা মেন্টাল কোনোটিই বলা কঠিন।”
“তবে সত্যিকার অর্থে বললে, আমরা এই ধরনের ভুল বারবার করছি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে হয়ত নার্ভ আরও সহজ রাখা যেত। বল প্রতি রান দরকার ছিল। এক এক করে রান নিয়েই শেষ করা যেত, যেটা আমরা করতে পারিনি।”

Comments

Popular posts from this blog

টাইটানিক জাহাজে যাত্রী সংখ্যা ছিলো ২২৩০ জন ৷ জীবিত উদ্ধার হয়েছিল ৭০৬ জন। ডুবে প্রাণ হারায় মোট ১৫২৪ জন যাত্রী৷

লালমাটিয়া থেকে তুলে নেওয়া পারভেজকে পাওয়া গেল পূর্বাচলে