বাংলাদেশে ইন্টারনেট গতিতে ‘এগিয়ে’ গ্রামীণফোন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 
    Published: 2018-07-26 23:39:30 BdST
bdnews24

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন অপারেটরদের মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরাই সবচেয়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেট পান বলে দাবি করা হয়েছে।

ইন্টারনেটের সংযোগ এবং গতি পরীক্ষা ও গতি পর্যালোচনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওকলা অপারেটরদের ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা করে চলতি বছরের প্রথমার্ধের জন্য গ্রামীণফোনকে বাংলাদেশের ‘দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক’ ঘোষণা করেছে বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এই স্বীকৃতি পেয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলি বলেন, “গ্রামীণফোন সবসময় বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক নিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে আসছে আর ওকলার এই সনদ আমাদের প্রচেষ্টার আরেকটি স্বীকৃতি।
“বাংলাদেশে চতুর্থ প্রজন্মের নেটওয়ার্ক চালু করার সিংহভাগ কৃতিত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের। এর ফলে দেশব্যাপী সামগ্রিক নেটওয়ার্কের গতি ও উন্নত সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বাস্তব উন্নতি ঘটেছে।”
মাইকেল ফোলি  বলেন, “শুধু ২০১৮ সালে স্পেকট্রাম,  প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা এবং মূলধনী ব্যয়ের পাশাপাশি কভারেজ বিস্তারে চার হাজার কোটি টাকার  (পাঁচশ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)  বেশি বিনিয়োগের ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
“নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে আমরা সুলভমূল্যে আরও বেশি স্পেকট্রাম নিয়ে আসার জন্য আবেদন করেছি যাতে করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ অনেক বেশি গতিশীল হয়।”
 ওকলার নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমি স্টিভেন বলেন,  “স্পিডটেস্টের মাধ্যমে প্রতিদিন  লাখ লাখ পরীক্ষার  মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের সার্বিক অবস্থার বলিষ্ঠ ও সর্বাঙ্গীন চিত্র তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে ওকলা।
“আমাদের যথাযথ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গ্রামীণফোনকে বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক হিসেবে আখ্যায়িত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
ওকলা কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে গ্রামীণফোনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডাউনলোড ও আপলোড স্পিড দিয়ে ওকলার স্পিড স্কোর অর্জিত হয়। যার মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয় অপারেটরগুলোর স্কোর নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী নেটওয়ার্ক স্পিড দক্ষতার মর্যাদাক্রম করা হয়েছে।
আধুনিক ডিভাইসে স্পিডটেস্টের মাধ্যমে বেরিয়ে আসা স্কোরের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়ার মুহূর্তে গ্রামীণফোনের স্কোর ছিলো ৯ দশমিক ২৫।

Comments

Popular posts from this blog

টাইটানিক জাহাজে যাত্রী সংখ্যা ছিলো ২২৩০ জন ৷ জীবিত উদ্ধার হয়েছিল ৭০৬ জন। ডুবে প্রাণ হারায় মোট ১৫২৪ জন যাত্রী৷

লালমাটিয়া থেকে তুলে নেওয়া পারভেজকে পাওয়া গেল পূর্বাচলে